All products
ফল
খাবার
মাছ ও মাংস
শস্য
বস্ত্র


বাগদা চিংড়ি (Bagda Shrimp) বাংলাদেশের একটি বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় সামুদ্রিক মাছ। এটি দেখতে আকর্ষণীয় এবং খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। বাগদা মূলত লবণাক্ত বা ব্র্যাকিশ পানির চিংড়ি, যা সাধারণত সমুদ্র বা উপকূলীয় মোহনা এলাকায় পাওয়া যায়। বৃহৎ জলরাশিতে এদের ১৬২ মিটার গভীরতায়ও দেখা যায়।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল এবং মোহনা এলাকায় বিপুল পরিমাণ বাগদা চিংড়ির পোনা পাওয়া যায়, যা দেশের চিংড়ি খামার শিল্পে (shrimp farming) একটি বড় অবদান রাখে। বিশ্বের সাতটি পরিবারে মোট ৫৪০ প্রজাতির চিংড়ি আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রজাতির নাম Penaeus monodon, যা ১৩.২ ইঞ্চি (৩৩৬ মিলিমিটার) পর্যন্ত লম্বা এবং ৪৫০ গ্রাম (১ পাউন্ড) পর্যন্ত ওজন হতে পারে।
বাংলাদেশে বাগদা চিংড়ি প্রধানত কক্সবাজার, টেকনাফ, মহেশখালী, চকরিয়া, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা এলাকায় বেশি পরিমাণে উৎপাদিত হয়। এই মাছটি আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন হওয়ায়, বাগদা চিংড়ি একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক মাছ (economic fish) হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশের চিংড়ি রপ্তানি খাতে বাগদা একটি অন্যতম অবদানকারী প্রজাতি।
বাগদা চিংড়ি (Bagda Shrimp) বাংলাদেশের একটি বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় সামুদ্রিক মাছ। এটি দেখতে আকর্ষণীয় এবং খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। বাগদা মূলত লবণাক্ত বা ব্র্যাকিশ পানির চিংড়ি, যা সাধারণত সমুদ্র বা উপকূলীয় মোহনা এলাকায় পাওয়া যায়। বৃহৎ জলরাশিতে এদের ১৬২ মিটার গভীরতায়ও দেখা যায়।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল এবং মোহনা এলাকায় বিপুল পরিমাণ বাগদা চিংড়ির পোনা পাওয়া যায়, যা দেশের চিংড়ি খামার শিল্পে (shrimp farming) একটি বড় অবদান রাখে। বিশ্বের সাতটি পরিবারে মোট ৫৪০ প্রজাতির চিংড়ি আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রজাতির নাম Penaeus monodon, যা ১৩.২ ইঞ্চি (৩৩৬ মিলিমিটার) পর্যন্ত লম্বা এবং ৪৫০ গ্রাম (১ পাউন্ড) পর্যন্ত ওজন হতে পারে।
বাংলাদেশে বাগদা চিংড়ি প্রধানত কক্সবাজার, টেকনাফ, মহেশখালী, চকরিয়া, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা এলাকায় বেশি পরিমাণে উৎপাদিত হয়। এই মাছটি আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন হওয়ায়, বাগদা চিংড়ি একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক মাছ (economic fish) হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশের চিংড়ি রপ্তানি খাতে বাগদা একটি অন্যতম অবদানকারী প্রজাতি।